



দিল আহমেদ, জামালগঞ্জ | বুধবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট | 151 বার পঠিত

সুুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে রাতের আঁধারে গোচারণ ভূমি ও ফসলি জমিসহ কান্দা কাটার মহোৎসব শুরু হয়েছে। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফসলি জমি ও গোচারণ ভূমির মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে করা হচ্ছে বাড়ী। এছাড়াও হাওরের মাঝে ঘড়বাড়ি নির্মাণের নামে অপরিকল্পিতভাবে মাটি ফেলে বাঁধ দিয়ে হুমকিতে ফেলা হচ্ছে হাওরের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ। ধ্বংস করা হচ্ছে প্রাকৃতিক জীব বৈচিত্র্য। মালিকানা ও বিভিন্ন সরকারি কান্দা থেকে অবাধে মাটি কেটে শ্রেণি পরিবর্তন করছে একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ। সম্প্রতি এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও জামালগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ইনাতনগর গ্রামবাসী।
সম্প্রতি জামালগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে ইনাতনগর গ্রামের পাশেই মাটি কাটার ঘটনাস্থল থেকে ফখরুল ইসলাম ওরফে আমিনুর রশিদকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আমিনুর রশিদ আদালতের মাধ্যমে পরদিন জামিনে আসার পর তার নির্দেশে এস্কোভেটর দিয়ে রাতের আঁধারে পূনরায় মাটি কাটা শুরু করে চক্রটি। এতে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে কার ইশারায় এবং কোন খুঁটির জোড়ে প্রশাসন ও গ্রামবাসীকে উপেক্ষা করে অবাধে এই মাটি কাটছে তারা।
অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে ঘুরে ঘটনার সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়। উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নের ইনাতনগর গ্রামের কবরস্থানের পাশে অবস্থিত ওই গ্রামের এজমালি রেকর্ডভুক্ত গোচারণ ভূমি (লায়েক পতিত)। সেখানে দেখা যায়, রাতের আঁধারে এস্কোভেটর দিয়ে ৩-৪ ফুট গভীর ও প্রায় একশ ফুট প্রশস্ত করে একাধিক স্থান থেকে মাটি কেটে নিয়ে গেছে একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ।
অভিযুক্ত ফখরুল ইসলাম ওরফে আমিনূর রশিদের কাছে মাটি কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, গ্রামের কয়েকটি পরিবার নতুন একটি ছোট গ্রাম নির্মাণের জন্য তারা উল্লেখিত ভূমি থেকে মাটি কেটেছে। তবে আমি এটার মধ্যে জড়িত নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুশফিকীন নূর বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্হা গ্রহন করা হবে।

Posted ৭:২২ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৫
ajkersangbad24.com | Fayzul Ahmed


