সোমবার ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

কালিয়াকৈরে চন্দ্রা ত্রি-মোড়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে মানুষ ও যানবাহনের চাপ, তীব্র যানজটের আশঙ্কা

গাজীপুর প্রতিনিধি   |   রবিবার, ২৪ মে ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   33 বার পঠিত

কালিয়াকৈরে চন্দ্রা ত্রি-মোড়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে মানুষ ও যানবাহনের চাপ, তীব্র যানজটের আশঙ্কা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নারীর টানে ঘর মুখো বাড়ছে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ| উত্তরবঙ্গে যাতায়াতের ভরসা একমাত্র ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস স্ট্যান্ড এলাকা| ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে ঘরে ফেরা মানুষ ও গণপরিবহনের চাপ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে| শনিবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে|

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, কালিয়াকৈর উপজেলার ছোট ছোট কিছু কলকারখানা ছুটি ঘোষণা হওয়াই এবং অনেক চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা যানজট এড়াতে আগেভাগেই পরিবারের সদস্যদের গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন| ফলে চন্দ্রা এলাকা জুড়ে যাত্রী ও গণপরিবহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে| টিকিট কাউন্টারগুলোর সামনে পরিবহনের কিছুটা জটলা দেখা গেলেও মহাসড়কের কোথাও কোনো দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়নি|

কালিয়াকৈরের চন্দ্রা-পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত হাইওয়ে মহাসড়কের উপর এবং চন্দ্রা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভাসমান দোকানের কারণে যান চলাচলে চরম ব্যাহত হচ্ছে| এসব দোকান থেকে কতিপয় ব্যক্তি প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা তুলে নিযে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে| ফলে ছাত্রী সাধারণ একদিকে যেমন যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে অপরদিকে নানা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে|

কালিয়াকৈর উপজেলায় প্রায় তিন শতাধিক শিল্প-কলকারখানা রয়েছে| এসব কারখানা ঈদে একযোগে ছুটি হলে চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে| মূলত উত্তরবঙ্গের ২৫টি জেলার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র প্রবেশমুখ এই চন্দ্রা| প্রতি ঈদে চন্দ্রা দিয়ে প্রায় ৫০ লক্ষাধিক মানুষ প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি ফেরেন| ঢাকা, গাজীপুর, টঙ্গী ও কোনাবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী সব যানবাহনকে চন্দ্রা হয়েই যেতে হয়| ফলে এই মোড়ে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অ¯^াভাবিক ভাবে বেড়ে যায়|

যাত্রী সাধারনের অভিযোগ, চন্দ্রা এলাকায় অপরিকল্পিত সড়ক ডিভাইডার নির্মাণ, যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো, মহাসড়কের উপর ও পাশে বাস- কাউন্টার ও অবৈধ দোকানপাট বসানোর কারণে প্রতি বছর তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়| এবারও অনেক যাত্রী ডিভাইডারকেই যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করছেন এবং মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পুলিশকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন| থ্রি-হুইলার বা তিন চাকার অটোরিকশা যান চলাচল সরকারিভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও প্রশাসনের সামনেই মহাসড়কে সেগুলো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, যা প্রায়শই দুর্ঘটনার কারণ হচ্ছে| অটো রিক্সা চালকদের অভিযোগ চন্দ্রা এলাকায় হাইওয়ে পুলিশ প্রতিদিন ৪০-৫০ টা অটোরিকশা থেকে ২ হাজার ৬ শত টাকা নিচ্ছে, কিন্তু কোন টাকার রশিদ না দিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে বলেন|

নাওজোড় হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সওগাতুল আলম জানান, আগামী সোমবার থেকে পোশাক কারখানাগুলো ছুটি হলে যাত্রী ও গণপরিবহনের চাপ আরও ব্যাপক হারে বাড়বে| তবে যানজট নিরসনে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি এপিবিএন সদস্য বিশেষ নজরদারিতে থাকবেন| মানুষকে স্বস্তিতে বাড়ি ফেরাতে হাইওয়ে ও ট্রাফিক পুলিশের সব ধরনের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা রয়েছে| ফুটপাত ও সড়কে অবৈধ দোকানপাট চন্দ্রা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় উচ্ছেদ শুরু করেছি| পর্যায়ক্রমে অন্যান্য এলাকায় উচ্ছেদ করব| অটো রিক্সা থেকে ২৬ শত টাকা নেয়ার ব্যাপারে হাইওয়ে ওসি বলেন, অটোরিকশা থেকে জরিমানা ২৬ শত টাকা সরকার ও উপায় যৌথ চুক্তি মোতাবেক বিকাশে নয় উপায় অ্যাপস-এর মাধ্যমে বিআরটিএ কোশাগারে জমা হয়|

Facebook Comments Box

Posted ৭:০৫ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

ajkersangbad24.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক
ফয়জুল আহমদ
যোগাযোগ

01712000420

fayzul.ahmed@gmail.com