



অনলাইন ডেস্ক | শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫ | প্রিন্ট | 112 বার পঠিত

তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ, আগামী ২৮ মে পল্টন ময়দানে এক বিশাল গণসমাবেশের আয়োজন করেছে বিএনপি-সমর্থিত যুব, স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্র সংগঠনসমূহ। এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই রাজধানীসহ সারাদেশে উৎসাহ ও প্রস্তুতির ঝড় বইছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য প্রদান করবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বিএনপি-সমর্থিত যুব, স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্র নেতাদের দাবি, দলটি অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতি দায়বদ্ধ থেকে নিজেদের মধ্যে আত্মসমালোচনা এবং আত্মশুদ্ধির চর্চা করে চলেছে। অভিযোগ উঠলেই গঠনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এটি প্রমাণ করে, দলটি একদিকে যেমন দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখছে, অন্যদিকে গণতন্ত্রের চেতনায় বিশ্বাসী বলেই নিজস্ব পরিমণ্ডলে দায়িত্বশীল আচরণ করছে।
তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন এবং বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। তা সত্ত্বেও বিএনপি বৃহত্তর গণতান্ত্রিক ধ্যানধারণার প্রতি আস্থাশীল থেকে এইসব বিষোদ্গার ও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্যকে ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করে চলেছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে তরুণ ছাত্র-জনতার যে বিপুল অংশগ্রহণ ও আত্মত্যাগ দেখা গিয়েছিল, তা ছিল দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়। সেসময়ে যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের ভবিষ্যৎ রক্ষায় রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। অথচ আজ যখন সেই গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের প্রশ্ন ওঠে, তখন একটি গোষ্ঠী তীব্র প্রতিক্রিয়ায় উত্তেজিত হয়ে পড়ে। যে ভোটাধিকারের জন্য অসংখ্য বিএনপি নেতাকর্মী রক্ত দিয়েছেন, সেই প্রশ্ন উত্থাপন করাও আজ যেন অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতারা বলেন, “আমাদের নেতৃবৃন্দের প্রতি যে অবমাননাকর ও বেয়াদবি আচরণ করা হচ্ছে, তা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবর্জিত। এই প্রজন্ম তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।”
তরুণদের উদ্যোগে আয়োজিত ২৮ মে’র এই গণসমাবেশ হবে রাজনৈতিক অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দৃপ্ত উচ্চারণ। এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক দাবি আদায়ের সমাবেশ—যেখানে তরুণ সমাজ নিজেদের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে একত্র হবে।
গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের প্রশ্নে সচেতন সকল দেশপ্রেমিক তরুণ নাগরিককে এই সমাবেশে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Posted ১০:৩৭ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
ajkersangbad24.com | Fayzul Ahmed


